AD Income BD!: মার্কেটিং

Earn Money Very Easy Way !!

Post Top Ad

Showing posts with label মার্কেটিং. Show all posts
Showing posts with label মার্কেটিং. Show all posts

Thursday, September 13, 2018

ফেসবুক মার্কেটিং টিপস যা আপনার কাজে লাগতে পারে

6:53 AM 0
কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আমি আপনাদের সবার সাথে ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করব আশাকরি যা আপনাদের খুব ভাল লাগতে বাধ্য করবে।

ফেসবুক অতি পরিচিত একটি নাম। ফেসবুকের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অনলাইন জগতে যতো স্যোশাল নেটওয়ার্ক মাধ্যামগুল আছে ফেসবুক তার ভিতরে অন্যতম। অনলাইনে মার্কেটিং করার জন্য ফেসবুক অন্যতম। বিশব্যাপি ফেসবুক ব্যাবহারকারীর সংখ্যা ৭৫০ মিলিয়ন। বাংলাদেশে দিনদিন ই-কমার্স সাইটে সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়াই ফেসবুক মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব অনেক। অধিকাংশ ব্যাবসায়ী কোম্পানিগুলোই ফেসবুক ফ্যান পেজ খুলে তাদের পণ্যগুলো মার্কেটিং করে থাকে । তাই বর্তমান অনলাইন জগতে কোম্পানি প্রসর করানোর জন্য ফেসবুক একটি কার্যকারী ভূমিকা রাখতে পারে। আজকে আমি আলোচনা করব জনপ্রিয়ও ৫ টি ফেসবুক মার্কেটিং টিপসের উপর যে টিপস গুলো আজ থেকে আপনার খুব কাজে লাগতে পারে।

১। পরীক্ষা মূলকভাবে দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্টঃ

Facebook-Engagement-posting-schedule-300x300অধিকাংশ ব্যাবসায়ী কোম্পানিগুলোই ফেসবুকে তাদের পোষ্টগুলো ট্র্যাডিশনাল বিজনেস আওয়ারে পোষ্ট করে থাকেন। কিন্তু আপনার ভিজিটরদের একটা বড় অংশ বিদেশে থাকলে তখন কি হবে  ? সেক্ষেত্রে আপনি দিনের বা রাতের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোষ্ট করে দেখতে পারেন । সেটা অবশ্যাই  ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল নিয়ে আসবে। এটা নির্ভর করবে আপানার পণ্যের ইউজারদের ধরনের উপর। আর এভাবে আপনি আপনার পোষ্টের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় টি খুজে পেতে পারেন। তবে অবশ্যই অটোমেটেড পোষ্ট থেকে বিরত থাকা উচিত। দরকার হলে  আপনি  ফেসবুকের সিডিউল টুলটি ব্যাবহার করতে পারেন ।

২। ভিজিটরদেরকে আলোচনার সুযোগ দিনঃ

ফেসবুক মার্কেটিংয়ের আমি প্রথম যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হল ভিজিটরদের নিয়ে। আপনি হয়ত নতুন একটি পণ্য বা নতুন কোন ডিজাইন বাজারে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যানদের থেকে তাদের ফিডব্যাক নিতে পারেন। আপনি হয়ত তাদের মাঝে একটা জরিপ চালাতে পারেন বা ভোটের মাধ্যমে আপনার নতুন লোগোও বা পণ্যের রং সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন যা আপনাকে আপনার ব্যাবসায়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। এটা শুধু আপনার পণ্যের  ব্র্যন্ড লয়ালিটি বাড়াবে না ,এটা আপনার ফ্যানরা কি চাচ্ছে সে সম্পর্কে ও আপনাকে একটা ধারনা দিবে।

৩। ছবি ব্যাবহার করুন :

ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় যে বিষয় তা মাথায় রাখতে হবে তা হল পোস্টে ইমেজ ব্যাবহার। ইমেজ সাধারণত বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকে । এক গবেষণায় দেখা গেছে  শুধুমাত্র টেক্সট বা লিঙ্কের চেয়ে ইমেজ  পোষ্ট ২ গুন বেশি এনগ্যাগম্যান্ট পেয়ে থাকে। এজন্য আপনাকে দামি ডি এস এল আর ক্যামেরা কিনতে হবে না। আপনি আপনার স্মার্ট ফোনে ইনস্টাগ্রাম ডাউনলোড করে নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে স্ন্যাপ নিতে এবং আপনার ফেকবুক পেজে আপলোড দিতে পারেন। শেয়ার করতে পারেন ভিডিও ।

৪। আপনি নিজে নিজের সবচেয়ে বড় ফ্যান হউনঃ

সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বা ফ্যাড সম্পর্কে জানতে আপনার বিজনেস পেইজের বাইরের ফেসবুককে ভালভাবে বুজতে হবে। তাই যদি ইতিমধ্যেই আপনার একটি ব্যাক্তিগত একাউন্ট না থাকে আপনি আজই একটি একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। এটা আপনাকে আপনাকে ফ্যানদের চোখে আপনার ব্যাবসায়কে দেখার সুযোগ করে দেবার পাশাপাশি আপনার কমপিটিটররা কি করছে তা দেখার এবং অন্যান্য ইউজারদের সম্পর্কে ধারনা নেবার সুযোগ করে দিবে।

৫। ফেসবুকের বাইরেও আপনার ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ রাখুনঃ

এটা আপনি আপানর ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ ইমেইল লিস্ট দিয়ে করতে পারেন। আপনি ইউজারদেরকে আপনার মেইল লিস্ট এ  নাম লিপিবদ্ধ করার জন্য তাদেরকে ইনসেন্টিভ দিতে পারেন। ইমেইল লিস্ট সংগ্রহ করার বিভিন্ন উপায়ে।  যেহেতু আপনি চান না ইউজার একবার মাত্র আপনার সাইট ভিজিট করে চলে যাক। তাই আপনি আপনার পেজের ট্যাবে একটি “কল টু একশান ” গ্রাফিক ব্যাবহার করতে পারেন। ভিজিটররা যেন খুব সহজে আপনার ফ্যান এর পরিণত হয়ে তাদের ফিডে আপনাকে এড করে তার জন্য তাদেরকে সব রকমের সুযোগ দিন।

সকলকে ধন্যবাদ 



Read More

Saturday, September 8, 2018

ডিজিটাল মার্কেটিং খাতে ক্যারিয়ার গড়বেন

10:54 PM 0
নতুন কোনো উদ্যোগ কিংবা ব্যবসার শুরুতেই ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’ শব্দটি মাথায় আসে। কিভাবে আপনার পণ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন, সেটাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাকরির পদসংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজার

‘ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজার’ পদে চাকরি করতে চাইলে, আপনার বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরির অভিজ্ঞতা দেখানো লাগবে। বেশিরভাগ কোম্পানিই এই পদের জন্যে ২ থেকে ৫ বছরের অভিজ্ঞতাধারী লোক দেখতে চায়। এছাড়াও, আপনার যদি কোনো কোম্পানি বা ট্রেনিং সেন্টার থেকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের উপর সার্টিফিকেট থাকে, তাহলে আপনার যেকোনো বড় কোম্পানিতে চাকরি পাওয়া সহজ হয়ে যাবে।   
Source: digitalfloats.com

ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আপনার, যেকোনো কোম্পানির ডিজিটাল মার্কেটিং টিম পরিচালনা করা ও ইন্টারনেটে উপযুক্ত নেটওয়ার্ক তৈরী করার দক্ষতা থাকা লাগবে। একজন ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজারের বেতন, উনার দক্ষতার উপর নির্ভর করে বাৎসরিক ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অভিজ্ঞতা বেশি হলে, বেতন সর্বোচ্চ ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।




সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার

একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারকে এসইও এক্সিকিউটিভও বলা হয়ে থাকে। একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার যেকোনো কোম্পানির ওয়েবসাইটের কিওয়ার্ড রিসার্চ, পেইজ ইনডেক্স, ইউজার অপটিমাইজেশন, ওয়েবমাস্টার টুলস, ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবস্থাপনাসহ আরো অনেক ধরনের কাজ করে থাকেন। মূলত একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার এসইও নিয়েই কাজ করে থাকেন।
Source: marketingland.com
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে হলে আপনাকে এসইওতে দক্ষ হতে হবে। এছাড়াও, মার্কেট রিসার্চ করে বিভিন্ন এসইও অ্যাপ্লিকেশন ও টুলস ব্যবহার করা জানতে হবে। একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের বাৎসরিক বেতন ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে, এই বেতন ৩০ লক্ষ টাকায় উন্নীত হতেও পারে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট

একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্টের মূল কাজ হচ্ছে, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো কোম্পানির জন্যে ট্র্যাফিক তৈরি করা এবং সেই ট্র্যাফিককে সেই কোম্পানির পণ্য ক্রয় করতে বাধ্য করা। একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট মূলত ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল প্লাস, লিংকডিন, পিন্টারেস্ট,  ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন।



একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকা লাগবে। একজন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্টের বাৎসরিক বেতন ৩ লক্ষ থেকে শুরু করে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এই বেতন ১৫ লক্ষ টাকায় পর্যন্ত উন্নীত হতে পারে।

Read More

উদ্যোক্তা হওয়ার চেয়ে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়াটাই কঠিন

12:58 AM 0


‘উদ্যোগ’ ও ‘উদ্যোক্তা’ দুটি আকর্ষণীয় শব্দ, যাতে মিশে আছে আশাবাদ ও সাফল্যের আকাঙ্ক্ষা। একটি আইডিয়া তৈরি করুন,সে আইডিয়া অনুযায়ী কাজ করুন আর তারপরে মার্কেটিং করুন। আর দিনশেষে এটিএম মেশিন থেকে টাকা তুলুন! কিন্তু না, ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবসাবাণিজ্য বেশ প্রলোভনীয় হলেও এতে সাফল্য লাভের পথটি এতোটা মসৃণ নয়।
 সফল উদ্যোক্তারা কর্মঠ ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে একটি উদ্যোগ নেয়া, একটি ব্যবসা শুরু করাটা অনেক সহজ। স্মার্টফোনের মাধ্যমে কয়েক ক্লিকেই একটি ব্যবসা শুরু করা যায়। কিন্তু এই ব্যবসা বা উদ্যোগে সফল হওয়া কতটা সহজ, তাই নিয়েই আজকের এই আলোচনা।

আপনার আইডিয়া হতে পারে অসম, কিন্তু পরিশ্রম অব্যাহত রাখুন 

ধরা যাক, আপনার কাছে বেশ ভালো একটি আইডিয়া আছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি সেই আইডিয়াতে কিছু ফান্ড বিনিয়োগ করে আর মার্কেটিং করে ব্যবসায়িক দুনিয়ার অর্থই পালটে দিতে পারবেন। কারণ বাণিজ্য হচ্ছে এমন একটি জায়গা, যেখানে প্রত্যেক মুহূর্তে অপেক্ষা করছে নিষ্ঠুর কিছু সত্য, যা মেনে নেয়াটা ততটা সহজ হয় না।
আপনার কোম্পানির পণ্য কাস্টমারের কাছে বিক্রি হবে কিনা,তার কোন গ্যারান্টি নেই। আপনার কোম্পানি আগামী এক বা দু’ বছরের মধ্যে কিংবা আদৌ কখনো লাভের মুখ দেখতে পারবে কিনা, তারও নিশ্চয়তা নেই।
তাই যত তাড়াতাড়ি আপনি এই সত্য স্বীকার করে কাজ করতে পারবেন, তত তাড়াতাড়িই আপনি সফল উদ্যোক্তাদের একজন হিসেবে  প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। সফল উদ্যোক্তারা জানেন যে, তারা যা করছেন, সে কাজে ভুল হতেই পারে। কিন্তু তারা সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে থাকেন। আপনাকেও তাই করা শিখতে হবে।
কাজে লাগানোর পূর্বে আইডিয়া বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়!
আপনার আইডিয়া বিক্রি নাও হতে পারে। কিন্তু আপনাকে সে ঝুঁকি নিতেই হবে। আর তাই ভাবুন ও সে অনুযায়ী অক্লান্ত পরিশ্রম করুন, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি সফলতার মুখ দেখতে পাচ্ছেন।

ব্যবসায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে সময়ের চিন্তা দূরে সরিয়ে রাখুন 

আপনি যদি ভেবে থাকেন, ব্যবসায় ক্যারিয়ার গড়া অনেক সহজ, তাহলে আপনার সে ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। একটি ব্যবসাকে শূন্য থেকে গড়ে তোলা অনেক কষ্টকর, সময়সাপেক্ষ আর গতানুগতিক চাকরির চেয়ে বেশি জটিল।
সফল উদ্যোক্তারা জানেন যে, তারাই নিজেদের বস। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে নতুন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে চিন্তা করা, নতুন কিছু নিয়ে ভাবতে থাকা, কাস্টমারদের জন্যে নতুন কিছু তৈরি করার স্বপ্ন দেখা, এ সবকিছু সহজ কথা নয়।
একটি মার্কেটে শত শত প্রতিযোগীর সাথে লড়াই করে ক্রেতাদের ধরে রাখাও সহজ কথা নয়।  আর সেই ক্রেতাদের জন্য নতুন পণ্যকে ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতেও হয়। যারা সফল, তারা হাজারটা কষ্ট সহ্য করে, হাজারটা পতন সহ্য করেও ব্যবসায় টিকে থাকে। আর তাই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনাকে সহনশীল হতে হবে, টিকে থাকা শিখতে হবে।

‘ঢিলেমির স্বভাব’ হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু 

প্রত্যেক উদ্যোক্তারই অনেক ধরনের শত্রু থাকে। যেমন, প্রতিযোগী, পর্যাপ্ত ফান্ডের অভাব, অপর্যাপ্ত ইচ্ছেশক্তি।  কিন্তু সবচেয়ে বড় শত্রু হতে পারে আপনার অলসতা বা ঢিলেমির স্বভাব।
আপনার কাছে দেশের সবচেয়ে ভালো আইডিয়া, যথেষ্ট পরিমাণ ফান্ড ও বুদ্ধিদীপ্ত টিম থাকতে পারে। কিন্তু এসব তখনই কাজে লাগবে, যখন আপনি আপনার আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে বাজারজাত করতে পারবেন। আপনার কাজের দক্ষতা ও কাজের প্রতি ভালোবাসার ওপরই আপনার প্রতিটি পণ্যের  বিক্রি নির্ভর করে।
মাঝে মাঝে যখন হতাশ লাগবে, নিজের কাজের প্রতি বিরক্ত হয়ে যাবেন, তখন আবার কাজ ছেঁড়েছুঁড়ে গেমস খেলতে বসে যাবেন না যেন!  প্রত্যেক উদ্যোক্তাই তার ব্যবসায়িক জীবনের কোনো না কোনো সময় আলসেমি করেন। কিন্তু সফল উদ্যোক্তারা নিজেদের ঢিলেমি স্বভাবকে নতুন কর্মশক্তিতে পরিণত করতে পারেন।
সফল উদ্যোক্তারা নিয়ম মেনে, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে পারেন। কুঁড়েমি ঝেড়ে ফেলে প্রতিটি দিন ধরে তারা একটু একটু করে নিজেদের স্বপ্ন পূরনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। কারণ তাদের লক্ষ্য থাকে, মার্কেটে টিকে থাকা,প্যাশনের কাছে হার না মানা।

কাজের জন্য আত্মত্যাগ করতে হবে

ব্যবসা মানে সপ্তাহের দিনগুলোতে কয়েক ঘন্টা কাজ করা বা কিংবা পকেট ভর্তি টাকা আয় করা নয়। উদ্যোক্তা হিসেবে সাফল্য লাভের জন্য আপনাকে জীবনের অনেক আরামআয়েশ ত্যাগ করতে হবে। মাঝে মাঝে নিজের জীবনের সুখশান্তি বিসর্জন দিয়ে হলেও কাস্টমারের জন্যে সুখবর এনে দিতে হবে।
স্টিভ জবসের কথাই ধরুন। তিনি নিজের প্রিয় ফল আপেলের নামে  কোম্পানির নাম রাখলেন অ্যাপল । একসময় নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে বের করে দেয়াও হয়েছিল,তবু তিনি হাল ছেড়ে দেননি। কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, তার উদ্ভাবিত পণ্য মানুষের কাজে লাগবে, পৃথিবীতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
স্টিভ জবস তার জীবনের অনেকটাই অ্যাপলের পেছনে খরচ করেছেন। তিনি এত সকালে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেন আর এত রাতে ঘরে ফিরতেন যে, একসময় নিজের পরিবারের মানুষের সাথে তার দেখাসাক্ষাত কমে গিয়েছিলো। এমনও দিন গেছে, যখন কাজের চাপে খাবার খাওয়ার কথাও ভুলে গেছেন।
এভাবে নিজের সময়কে কাজে লাগিয়েই স্টিভ জবস লাখো মানুষের হাতে আইফোন তুলে দিতে পেরেছেন, মৃত্যুর পরও অমর হয়ে আছেন আমাদের মাঝে।

Read More

Sunday, September 2, 2018

ইন্টারনেট মার্কেটিং কি ?

10:54 PM 0

ইন্টারনেট মার্কেটিং কি ? কেন এটা নিয়ে সবাই বলাবলি করছে আর ইন্টারনেটের ভাষাই বা কি ?
এটা কি মার্কেটিং বা বাজারজাতকরণ ?
আমি আপনাদের সহজভাষায় ইন্টারনেট মার্কেটিং বুঝতে সাহায্য করতে চাই। আমার বিশ্বাস আপনি এই লেখাটি পড়ে ইন্টারনেট মার্কেটিং কি এবং এটা কিভাবে টাকা উপার্জনে কাজে লাগাবেন সেটা বুঝে যাবেন।
বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়ার আগে এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং শেখার আগে আমাদের জানতে হবে
মার্কেটিং কি?
মার্কেটিং/বাজারজাতকরণ হচ্ছে পণ্য-সেবা গ্রাহক পর্যন্ত পৌছানোর জন্য যেসব কার্যাবলী সম্পাদন করা দরকার সেগুলো করা। এর চেয়ে সহজ আর কোন সংজ্ঞা নেই।
যেসব কার্যাবলী করা দরকার সেগুলো নিম্নরুপ –
  • উৎপাদন (Manufacturing)
  • ব্র্যান্ডিং (Branding)
  • মোড়কীকরণ (Packaging)
  • বিজ্ঞাপন (Advertisement)
  • অর্থ সংগ্রহ (Funding)
  • বিক্রয় (Selling)
তাহলে এক কথায় বলা যায় একজন মার্কেটারকে পণ্য বিক্রি করতে যা যাকরতে হয় তাই মার্কেটিং
এখন আমি আপনাকে ইন্টারনেট মার্কেটিং-এর উপর ছোটখাটো একটা ধারণা দিব। ইন্টারনেট মার্কেটিং-এর কাজ ঠিক একই কাজ যেগুলো মার্কেটিং এ করা হয়। কিন্তু এটা করা হয় ইন্টারনেট-এ, ইন্টারনেটের জন্যে এবং ইন্টারনেট থেকে। ইন্টারনেট একটা মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই না ঠিক যেমন- খবরের কাগজ, রেডিও ও টেলিভিশন। কিন্তু ইন্টারনেটের এতটা শক্তিসম্পন্ন ও বহুমূখী হয়ে উঠার পিছনে কারণ হচ্ছে যে এর আওতা বিশ্বব্যাপী।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে একজন নাইজেরিয়ার নাগরিক নাইজেরিয়াতে বসে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করতে পারবে।
ইন্টারনেটে একটা ওয়েবসাইট সেটআপ করলে সেটা অনলাইন এ সারা বিশ্ব থেকে অর্ডার নিতে পারবে আর এটা চালু থাকবে দিনে ২৪ ঘন্টা/সপ্তাহে ৭ দিন/বছরের ৩৬৫ দিন।
সহজভাষায় ইন্টারনেট মার্কেটিং-এর মূল কাজ হচ্ছে কিছু না কিছু বিপনন বাবিক্রয় করা
কিন্তু ইন্টারনেট মার্কেটিং শুধু বিপনন ও বিক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকে না এতে আরও আছে,
  • একটা জনগোষ্ঠী(Community) তৈরী করা
  • বাজার গবেষণা করা
  • বাজারে কর্তৃত্ব স্থাপন করা
  • ব্যাবসার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
ইন্টারনেট মার্কেটিং-এর অসংখ্যা শাখা-প্রশাখা রয়েছে, যেমন-
ওয়েবসাইট মার্কেটিং
একটা ওয়েবসাইট সেটআপ করা মার্কেটিং-এর একটা অস্ত্র। ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট তৈরী করা হয় তথ্য, যোগাযোগ ও পন্যের প্রচারের জন্য। ই-কমার্স সাইটগুলো নিজেই ক্রেতাদের থেকে অর্ডার নিয়ে থাকে এবং বিভিন্ন ডিজিটাল পন্য যেমন ই-বুক কিংবা অনলাইন কোর্স স্বয়ইক্রিয়ভাবেই ক্রেতাদের নিকট প্রদান করে।
উদাহরনঃ ডোমেইন এর ওয়েবসাইটে আপনি একটি .com ডোমেইন কিনতে পারবেন; টাকা দেবার সাথে সাথে আপনার ডোমেইন কার্যকর হয়ে যাবে –এখানে কোন মানুষের কাজটি পরিচালনা করার দরকার নেই। ২৪ ঘন্টা লেনদেন হচ্ছে।
সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট যেমন-ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিংকড্‌ইন এইসব সাইটে মানুষ তাদের সিংহভাগ সময় ব্যয় করে থাকে। এসব সাইটে প্রায় প্রতিটি বিষয়ের উপর আগ্রহী জনগোষ্ঠী বা কমিউনিটি রয়েছে। সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা হয় মুলত নতুন নতুন ক্রেতা পাওয়ার জন্যে এবং মার্কেটিং এর প্রসার ঘটানোর জন্যে।
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন তথ্য জানার জন্যে নানান সার্চ ইঞ্জিন (যেমন-গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি) গুলোকে ব্যবহার করছে। হয়তো আপনিও Google এ সার্চ করে আমার ব্লগে এসে পড়েছেন। আপনার ওয়েবসাইটটিকে ভালোভাবে তদারকি বা অপ্টিমাইজ করলে, এসব সার্চের শীর্ষে চলে আসবে আপনার ওয়েবসাইট আর মানুষ যখন বিভিন্ন বিষয়ে সার্চ করবে তবে তখন সেটা আপনার জন্যে লাভজনক হবে। এই ধরনের মার্কেটিং-কে বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন।
ইমেইল মার্কেটিং
ইন্টারনেট জগতে সবারই ইমেইল/ওয়েবমেইল আইডি রয়েছে। প্রায় সব ওয়েবসাইটেই মেম্বার হওয়ার জন্য  কিংবা একাউন্ট খোলার জন্য ইমেইল আইডি প্রয়োজন। ইন্টারনেটের শুরু থেকে ইমেইলই হচ্ছে এক নম্বর যোগাযোগ মাধ্যম। ইন্টারনেট মার্কেটাররা বিভিন্ন উৎসের মাধ্যমে এসব ইমেইল আইডিগুলো সংগ্রহ করে। এরপর তারা এসব ইমেইল এ তাদের পন্যের ব্যপারে তথ্য, নিউজলেটার পাঠায় যার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে পন্য বিক্রয় এবং গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন। একেই বলে ইমেইল মার্কেটিং।
ব্যানার মার্কেটিং
ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিজিট করে। একজন ইন্টারনেট মার্কেটার সেসব সাইটগুলোতে নিজের একটা ব্যানার বিজ্ঞাপন ভাড়া নিবেন। এ ধরনের মার্কেটিং প্রচলিত ব্যানার বিজ্ঞাপনের মতই। একজন ইন্টারনেট মার্কেটার এখানে প্রতি লেনদেন এ টাকা দিবেন অথবা প্রতিটি ক্লিকে টাকা দিবেন অথবা প্রতিটি “ভিউ” এর জন্যেও টাকা দিবেন। যেটা সচরাচর সাধারন ব্যানার এড এ সম্ভব না।
মোবাইল মার্কেটিং
দিন দিন মানুষ আরো বেশি ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের জগতে প্রবেশ করছে। মোবাইল ব্যবহারকারীরা মোবাইলে বিভিন্ন সাইটে ঢুকছেন। মোবাইল-এর জন্য ওয়েবসাইট বানানো, মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য এপ্লিকেশন বানানো এবং মোবাইলের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য করা এসবই মোবাইল মার্কেটিং-এর আওতাভুক্ত। এছাড়াও গতানুগতিক এসএমএস মার্কেটিং এবং ইমেইল মার্কেটিং-ও মোবাইল মার্কেটিং-এ প্রচলিত রয়েছে।
ব্লগ মার্কেটিং
সাংবাদিকতার এক নতুন পন্থা হচ্ছে ব্লগিং। মানুষ এখন ব্লগের মাধ্যমে তাদের মনের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারছে। এসব অনুভূতিগুলো মানুষের উপর প্রভাব ফেলে এবং অন্যরাও বিভিন্ন মতামত দিতে সক্ষম হয়।
একজন ইন্টারনেট মার্কেটার তার নিজের একটা ব্লগ লিখবেন এবং তার নিজের বিশ্বস্ত পাঠককুল গড়ে তুলতে পারবেন।
অনলাইন প্রেস রিলিজ(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি) মার্কেটিং
প্রেস রিলিজ কিংবা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সাইটগুলো অনলাইনের বার্তা সংস্থা। ইন্টারনেট মার্কেটারগণ তাদের পন্য সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ নিবন্ধ লিখে তা এসব সাইটগুলোতে পোস্ট করতে পারেন। যদি সেটি যথাযোগ্য হয় তবে সেটি বড় কোন সংবাদ মাধ্যম এবং খবরের কাগজে বা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবে।
ফোরাম এবং ডিস্‌কাশান মার্কেটিং
অনলাইনে প্রায় সকল বিষয়ের জন্যেই ফোরাম রয়েছে। একজন ইন্টারনেট মার্কেটার তার বার্তা ছড়াতে এসব ফোরাম-এর সাহায্য নিতে পারেন। প্রতিটি ফোরামের নানা ধরনের সদস্যগণ ও নিয়মনীতি‌ থাকে। তাই সেই মার্কেটারকে বুঝে শুনে সেসব ফোরাম গুলো বাছাই করতে হবে।
আপনি উপরের যেকোনো বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে গুগল এ সার্চ দিতে পারেন। লেখাটি আপনার প্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কগুলো তে শেয়ার করুন, যেমন- ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি। এটি আমাদের এক ধরনের ইন্টারনেট মার্কেটিং।
Read More